শিরোনাম

বন্দরে যুবলীগের নেতার নিয়ন্ত্রনে থাকা চাল জব্দ

বন্দর প্রতিনিধি:
বন্দরে এক ইউনিয়ন যুবলীগের  সাধারণ সম্পাদক নিয়ন্ত্রনে থাকা প্রায় ১২শ বস্তা চাউল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। কেওঢালা এলাকায় অবস্থিত এক বন্ধ পোশাক তৈরী কারখানায় মজুত রাখা হয়েছে। গত বুধবার রাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শুল্কা সরকার  ১২ শ বস্তা  চাউল জব্দ করেন।  নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোরশেদ আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধামগড় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর ইশতিয়াক রাসেল ও কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর হোসেন খান গত বুধবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে  উপজেলা মদনপুর ইউপির কেওঢালা এলাকায় অবিস্থত হায়দারী গার্মেন্টে অভিযান চালিয়ে নিচ তলা ডাইং সেকশনের ভেতরে  ১২শত চাউল মজুত রাখা দেখতে পায়। প্রাথমিক ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে মজুত রাখা ১২শ বস্তা চাউল মদনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ ভূঁইয়ার। চট্রগ্রাম থেকে রাসেল নামের তার এক বন্ধু তার কাছে পাঠিয়েছে। অভিযান কালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে যুবলীগ নেতা জাবেদ ভূঁইয়া বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শুল্কা সরকার  ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চাউল জব্দ করে গার্মেন্টের কক্ষটি সিলগালা করে দেন। যুবলীগ নেতা জাবেদ ভূঁইয়া জানান, এক ব্যবসায়ী বন্ধুর মাধ্যমে চাল গুলো গরীবদের দেওয়ার জন্য নওগাঁ আনা হয়েছে। এসময় জাবেদ ভূঁইয়াকে প্রশ্ন করা হয়, ত্রাণের জন্য চাল আনা হয়েছে? আপনি কাউকে জানিয়েছেন কিনা। এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ সানুকে ছাড়া আর কাউকে জানানো হয়নি। এ বিষয়ে মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গাজী এম এ সালাম বলেন, জাবেদ ভূঁইয়া বিপুল পরিমাণ চাল ত্রাণের জন্য এনেছে এবং বিতরণ করবে আমি জানিনা। তবে তিনি বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা  গ্রহনের দাবি জানান। বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শুক্লা সরকার বলেন, বিপুল পরিমাণ চাউলের বিষয়ে জাবেদ ভূঁইয়া কিছুক্ষণ আগে আমাকে জানিয়েছেন এ চাউল ত্রাণের জন্য আনা হয়েছে। বর্তমানে গুদামটি সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। জাবেদ বৈধ কাগজপত্র না দেখাতে পারলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গরীবদের জন্য আনা হয়ে থাকলে তা প্রমানিত হলে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে বিতরণ করা হবে।

No comments