শিরোনাম

চালের দাম কমেছে

মনে বাজারে নতুন চাল আসবে। তখন দাম কিছুটা কমে যাবে। সুতরাং এখন চাল ধরে রাখলে লোকসানের মুখে পড়তে হবে। এ কারণে লোকসানের হাত থেকে বাঁচতে এবং নতুন চাল কেনার জন্য খুচরায় দাম কমিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে পাইকারিতে চালের দাম কমেনি।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা ব্যবসায়ীদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মিনিকেট ও নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৫৮ টাকা কেজি, যা রোজা শুরু হওয়ার আগে ছিল ৬২ থেকে ৬৮ টাকা কেজি। আর করোনার শুরুতে ছিল ৫৬ থেকে ৬০ টাকা এবং করোনার আগে ছিল ৫২ থেকে ৫৫ টাকা কেজি।
দাম কমার তালিকায় রয়েছে মাঝারি মানের পাইজাম ও লতা এবং গরিবের মোটা চালও। বর্তমানে মাঝারি মানের চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৪৮ টাকা, যা রোজার আগে ৫৬ টাকা পর্যন্ত উঠে ছিল।
করোনার আগে ৪২ থেকে ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছিল মাঝারি মানের চাল। গরিবের মোটা চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৬ থেকে ৪০ টাকা, যা রোজার আগে ৫০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। অথচ করোনার আগে ছিল ৩২ থেকে ৩৫ টাকার মধ্যে।
এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যেও সপ্তাহের ব্যবধানে চিকন ও মাঝারি চালের দাম কমেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে চিকন চালের দাম কমছে ৩ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং মাঝারি চালের দাম কমেছে ২ দশমিক ৯১ শতাংশ। ২৯ এপ্রিল এই দাম কমে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে মোটা চালের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, খুচরা বাজারে মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬৫ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৬০ থেকে ৬৮ টাকা। আর এক মাস আগে ছিল ৬০ থেকে ৬৮ টাকা।
অপরদিকে মাঝারি মানের চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫২ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৪৮ থেকে ৫৫ টাকা এবং একমাস আগে ছিল ৫০ থেকে ৫৬ টাকা। আর মোটা চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৫০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৩৮ থেকে ৫০ টাকা এবং একমাস আগে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

No comments