না’গঞ্জে করোনায় মানবিকতার সংকট ভয়াবহ
নারায়ণগঞ্জে এখন করোনার চেয়ে বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে মানবকিতার সংকট।
করোনা মহামারির এই কালে মানুষ সব মানবিকতা বিসর্জন দিয়ে অমানবিকতার চরমে
পৌঁছে যাচ্ছে। এ যেন করোনার চেয়েও ভয়াবহ এক মানবিক সংকট।
কেউ করোনায় আক্রান্ত হলেই কিংবা উপসর্গ দেখা দিলেই তার ও তার পরিবার-স্বজনদের উপর চরম অমানবিক আচরন করা হচ্ছে। বাড়ীর বাইরে, সিঁড়িতে, সড়কে লাশ পড়ে থাকলেও ঘনিষ্ঠ স্বজনেরাও কেউ এগিয়ে আসে না। লাশ দাফন, দাহ কোন কিছুতেই রক্তের বাঁধনে আবদ্ধ স্বজনেরাও কাছে আসে না।
আক্রান্তদের পরিবারের উপর প্রতিবেশীদের তরফ থেকে নেমে আসে চরম অমানবিক আচরন। এমন অমানবিক আচরন উগ্রতায় পরিনত হয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠে গত ২৮ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায়। নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ডা. শিল্পী আক্তারের পরিবারের ১৮ জন করোনায় (কোভিড-১৯) পজিটিভ হয়।
এ খবরে স্থানীয় লোকজন পরিবারটিকে এলাকা থেকে বিতাড়িত করার চেষ্টা চালায়। সেই সঙ্গে বাড়িটি লক্ষ্য করে স্থানীয়রা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।
এ খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন এবং হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা দিয়ে এলাকাবাসীকে শান্ত করেন। ইউএনও’র হস্তক্ষেপে এলাকাবাসীর রোষানল থেকে রক্ষা পায় করোনায় আক্রান্ত হওয়া ১৮ জনের পরিবারটি। ডা: শিল্পী করোনার শুরু থেকে নিজের জীবন ও পরিবারের কথা চিন্তা না জেলায় করোনা রোগীদের পাশে রয়েছেন।
এই ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক তাঁর ফেইজবুক পেইজে একটি স্ট্যাটাস দেন। ওই স্ট্যাটাস-এ তিনি ওই অমানবিক ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন। তাঁর স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হল ;
“মানুষ যদি সে না হয় মানুষ,দানব কখনো হয় না মানুষ যদি দানব কখনো বা হয় মানুষ, লজ্জা কি তুমি পাবে না? ও বন্ধু .মানুষকে মানবিক পাশাপাশি সচেতন হওয়া এবং নিজের উপর দায়িত্ব পালন করার অনুরোধ করছি।
নারায়ণগঞ্জ জেলার চিকিৎসক শিল্পী আক্তার ও তার পরিবারের পাশে মমতা ও সহানুভূতির ছোঁয়া নিয়ে পাশে আছি (নারায়ণগঞ্জ সদরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার)।
প্রসঙ্গত, ডা. শিল্পী আক্তার করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকেই হাসপাতালে রোগীদের পাশে ছিলেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় সেবা-শুশ্রূষার মাধ্যমে নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব দিন-রাত পালন করে এসেছেন।
কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস তার পরিবারের ১৬ জন সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। তারা বর্তমানে সকলে বাসায় আইসোলেশনে আছেন।
কিন্তু এই চিকিৎসক যিনি নিজের জীবন বাজি দিয়ে করোনা আক্রান্তদের সেবা দিয়েছিলেন, আজ যখন তিনি এবং তার পরিবার বিপদগ্রস্ত তখন যাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এই বিপদে, সেই প্রতিবেশীরা তাদেরকে বাসা থেকে পরিবারসহ অন্যত্র চলে যেতে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।
এমনকি আজ সকালে অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে দেয়নি এলাকায়। করোনা আক্রান্ত এই পরিবারের যখন টাকাপয়সা নয় সবচেয়ে বেশি দরকার মানুষের ভালোবাসা এবং মমত্ববোধ, সেই ক্রান্তিকালে মানুষের এমন হিংস্র মনোভাব সকলকে পীড়া দেয়।
ডা. শিল্পী আক্তার এর পরিবারের এই দুঃসময়ে তার পাশে আছি নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন। তার পরিবারের খাদ্য, ঔষধ, নিত্য প্রয়োজনীয় বাজার সবকিছুর দায়িত্ব সদর উপজেলা প্রশাসনের।
চিকিৎসকের পরিবার উদ্দেশ্যে মমতার পরশ এবং এলাকাবাসীকে অনুরোধ করছি যেন তারাও ঝোঁকের বশবর্তী না হয়ে এবং ঘৃণা পরিহার করে বরং পরিবারটির প্রতি সহানুভূতিশীলতা প্রদর্শন করে।
করোনা ভাইরাস এর বিরুদ্ধে সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান এবং মমতা ও সহানুভূতির দেয়াল তৈরি করে করোনাকে জয় করতে সচেষ্ট হতে অনুরোধ জানাচ্ছি। মানুষ মানুষের জন্য—”
এর আগে ৭ এপ্রিল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় নিজ বাসার নিচে পড়ে থেকে মারা যান জনপ্রিয় গিটারিস্ট খাইরুল আলম হিরো। ২৬ মার্চ থেকে জ্বর, ঠান্ডা, গলা ব্যাথা ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।
তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য বাসা থেকে নিচে নামানো হয়েছিল। পর পর দুটি এ্যাম্বুলেন্সও আনা হয়েছিল তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য। করোনার উপসর্গ দেখে এ্যাম্বুলেন্স চালকেরা তাঁকে বাড়ির নিচে রেখেই চলে যায়। সেখানেই গিটারিস্ট হিরুর করুন মৃত্যু হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্টরা তাঁর দাফন কাজ সম্পন্ন করেন। পরে তার নমুনা পরীক্ষায় করোনা ভাইরাস পজেটিভ আসে।
২৬ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ শহরে নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন কোটিপতি ব্যবসায়ী শ্রী খোকন সাহা। তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার মত কোন স্বজন ছিল না। স্ত্রী ও দুই কিশোরী কন্যা মিলে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য ফ্ল্যাট থেকে নীচে নামানোর সময় সিঁড়িতে পড়েই তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহতের স্ত্রী কন্যা একটু জল চেয়েও পাননি ফ্ল্যাটের অন্য বাসিন্দাদের কাছ থেকে। অথচ সাত তলা ওই বাড়িটি ওই ব্যবসায়ী করেছিলেন সাত বন্ধু মিলে। নিহতের মরদেহ কয়েক ঘন্টা পড়ে থাকে সিঁড়িতেই। লাশের সৎকার করতেও কোন স্বজন আসেনি।
পরে সিটি করপোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ এসে তাঁকে চিতায় নিয়ে গিয়ে সৎকারের কাজটি করেন। এরপর এটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়।
স্বজনেরা কাছে আসেনি এমন ৩৫ জনের লাশের দাফন-সৎকারের কাজ নারায়ণগঞ্জ শহরে একাই করেছেন ওই কাউন্সিলর। এদের সকলের করোনায় মৃত্যু হয়নি। তবুও মানুষ মানবিকতা হারিয়ে ফেলার কারনে স্বজনদের লাশের শেষ যাত্রায়ও কেউ সামিল হচ্ছে না।
যেসব এলাকায় মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের প্রতিও মানুষ চরম বৈরী আচরন করছে। এ যেন সমাজিক বন্ধন ভেঙ্গে-চুরে বিলিন হওয়ার আর এক নতুন মহামারি!
পর্যবেক্ষক মহলের মতে, এ সংকট এখন করোনা সংকট থেকে বড় হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জে। মানুষ যদি মানুষের জন্য এগিয়ে না আসেন তাহলে মানব সভ্যতা টিকবে কি করে ?
কেউ করোনায় আক্রান্ত হলেই কিংবা উপসর্গ দেখা দিলেই তার ও তার পরিবার-স্বজনদের উপর চরম অমানবিক আচরন করা হচ্ছে। বাড়ীর বাইরে, সিঁড়িতে, সড়কে লাশ পড়ে থাকলেও ঘনিষ্ঠ স্বজনেরাও কেউ এগিয়ে আসে না। লাশ দাফন, দাহ কোন কিছুতেই রক্তের বাঁধনে আবদ্ধ স্বজনেরাও কাছে আসে না।
আক্রান্তদের পরিবারের উপর প্রতিবেশীদের তরফ থেকে নেমে আসে চরম অমানবিক আচরন। এমন অমানবিক আচরন উগ্রতায় পরিনত হয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠে গত ২৮ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায়। নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ডা. শিল্পী আক্তারের পরিবারের ১৮ জন করোনায় (কোভিড-১৯) পজিটিভ হয়।
এ খবরে স্থানীয় লোকজন পরিবারটিকে এলাকা থেকে বিতাড়িত করার চেষ্টা চালায়। সেই সঙ্গে বাড়িটি লক্ষ্য করে স্থানীয়রা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।
এ খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন এবং হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা দিয়ে এলাকাবাসীকে শান্ত করেন। ইউএনও’র হস্তক্ষেপে এলাকাবাসীর রোষানল থেকে রক্ষা পায় করোনায় আক্রান্ত হওয়া ১৮ জনের পরিবারটি। ডা: শিল্পী করোনার শুরু থেকে নিজের জীবন ও পরিবারের কথা চিন্তা না জেলায় করোনা রোগীদের পাশে রয়েছেন।
এই ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক তাঁর ফেইজবুক পেইজে একটি স্ট্যাটাস দেন। ওই স্ট্যাটাস-এ তিনি ওই অমানবিক ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন। তাঁর স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হল ;
“মানুষ যদি সে না হয় মানুষ,দানব কখনো হয় না মানুষ যদি দানব কখনো বা হয় মানুষ, লজ্জা কি তুমি পাবে না? ও বন্ধু .মানুষকে মানবিক পাশাপাশি সচেতন হওয়া এবং নিজের উপর দায়িত্ব পালন করার অনুরোধ করছি।
নারায়ণগঞ্জ জেলার চিকিৎসক শিল্পী আক্তার ও তার পরিবারের পাশে মমতা ও সহানুভূতির ছোঁয়া নিয়ে পাশে আছি (নারায়ণগঞ্জ সদরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার)।
প্রসঙ্গত, ডা. শিল্পী আক্তার করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকেই হাসপাতালে রোগীদের পাশে ছিলেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় সেবা-শুশ্রূষার মাধ্যমে নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব দিন-রাত পালন করে এসেছেন।
কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস তার পরিবারের ১৬ জন সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। তারা বর্তমানে সকলে বাসায় আইসোলেশনে আছেন।
কিন্তু এই চিকিৎসক যিনি নিজের জীবন বাজি দিয়ে করোনা আক্রান্তদের সেবা দিয়েছিলেন, আজ যখন তিনি এবং তার পরিবার বিপদগ্রস্ত তখন যাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এই বিপদে, সেই প্রতিবেশীরা তাদেরকে বাসা থেকে পরিবারসহ অন্যত্র চলে যেতে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।
এমনকি আজ সকালে অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে দেয়নি এলাকায়। করোনা আক্রান্ত এই পরিবারের যখন টাকাপয়সা নয় সবচেয়ে বেশি দরকার মানুষের ভালোবাসা এবং মমত্ববোধ, সেই ক্রান্তিকালে মানুষের এমন হিংস্র মনোভাব সকলকে পীড়া দেয়।
ডা. শিল্পী আক্তার এর পরিবারের এই দুঃসময়ে তার পাশে আছি নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন। তার পরিবারের খাদ্য, ঔষধ, নিত্য প্রয়োজনীয় বাজার সবকিছুর দায়িত্ব সদর উপজেলা প্রশাসনের।
চিকিৎসকের পরিবার উদ্দেশ্যে মমতার পরশ এবং এলাকাবাসীকে অনুরোধ করছি যেন তারাও ঝোঁকের বশবর্তী না হয়ে এবং ঘৃণা পরিহার করে বরং পরিবারটির প্রতি সহানুভূতিশীলতা প্রদর্শন করে।
করোনা ভাইরাস এর বিরুদ্ধে সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান এবং মমতা ও সহানুভূতির দেয়াল তৈরি করে করোনাকে জয় করতে সচেষ্ট হতে অনুরোধ জানাচ্ছি। মানুষ মানুষের জন্য—”
এর আগে ৭ এপ্রিল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় নিজ বাসার নিচে পড়ে থেকে মারা যান জনপ্রিয় গিটারিস্ট খাইরুল আলম হিরো। ২৬ মার্চ থেকে জ্বর, ঠান্ডা, গলা ব্যাথা ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।
তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য বাসা থেকে নিচে নামানো হয়েছিল। পর পর দুটি এ্যাম্বুলেন্সও আনা হয়েছিল তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য। করোনার উপসর্গ দেখে এ্যাম্বুলেন্স চালকেরা তাঁকে বাড়ির নিচে রেখেই চলে যায়। সেখানেই গিটারিস্ট হিরুর করুন মৃত্যু হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্টরা তাঁর দাফন কাজ সম্পন্ন করেন। পরে তার নমুনা পরীক্ষায় করোনা ভাইরাস পজেটিভ আসে।
২৬ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ শহরে নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন কোটিপতি ব্যবসায়ী শ্রী খোকন সাহা। তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার মত কোন স্বজন ছিল না। স্ত্রী ও দুই কিশোরী কন্যা মিলে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য ফ্ল্যাট থেকে নীচে নামানোর সময় সিঁড়িতে পড়েই তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহতের স্ত্রী কন্যা একটু জল চেয়েও পাননি ফ্ল্যাটের অন্য বাসিন্দাদের কাছ থেকে। অথচ সাত তলা ওই বাড়িটি ওই ব্যবসায়ী করেছিলেন সাত বন্ধু মিলে। নিহতের মরদেহ কয়েক ঘন্টা পড়ে থাকে সিঁড়িতেই। লাশের সৎকার করতেও কোন স্বজন আসেনি।
পরে সিটি করপোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ এসে তাঁকে চিতায় নিয়ে গিয়ে সৎকারের কাজটি করেন। এরপর এটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়।
স্বজনেরা কাছে আসেনি এমন ৩৫ জনের লাশের দাফন-সৎকারের কাজ নারায়ণগঞ্জ শহরে একাই করেছেন ওই কাউন্সিলর। এদের সকলের করোনায় মৃত্যু হয়নি। তবুও মানুষ মানবিকতা হারিয়ে ফেলার কারনে স্বজনদের লাশের শেষ যাত্রায়ও কেউ সামিল হচ্ছে না।
যেসব এলাকায় মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের প্রতিও মানুষ চরম বৈরী আচরন করছে। এ যেন সমাজিক বন্ধন ভেঙ্গে-চুরে বিলিন হওয়ার আর এক নতুন মহামারি!
পর্যবেক্ষক মহলের মতে, এ সংকট এখন করোনা সংকট থেকে বড় হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জে। মানুষ যদি মানুষের জন্য এগিয়ে না আসেন তাহলে মানব সভ্যতা টিকবে কি করে ?



No comments